ধর্ষকদের পুরুষাঙ্গ কেটে নেওয়া উচিত, মত ইমরান খানের

একতারা বাংলা, নিউজ ডেস্ক:

কয়েকদিন আগে লাহোর হাইওয়ের উপরে ফ্রান্সের এক যুবতীকে তাঁর দুই সন্তানের সামনেই গণধর্ষণ করে একদল দুষ্কৃতী। মহিলার সঙ্গে থাকা টাকা ও কার্ডও কেড়ে নিয়ে পালায় ধর্ষকরা। অভিযোগ, এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ পাল্টা দোষ দেয় ধর্ষিতা ওই মহিলাকেই, কেন তিনি কোনও পুরুষসঙ্গী ছাড়া একা রাতের রাস্তায় বেরিয়েছেন!

এই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসার পরেই লাহোরের রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের সদস্যরা। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হচ্ছে বুঝতে পেরে ইতিমধ্যে দুই ধর্ষককে গ্রেপ্তারও করেছে পাকিস্তানের পুলিশ। সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলেছেন, এ দেশে মেয়েদের নিরাপত্তা কোথায়! যে পুলিশের কাজ অপরাধীকে শাস্তি দেওয়া, সে কোন যুক্তিতে ধর্ষিতার একা বেরোনো নিয়ে প্রশ্ন তোলে!

পাকিস্তানের একটি সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাত্কার দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেন, এই ধরনের জঘন্য যৌন অপরাধগুলির ক্ষেত্রে দোষী সাব্যস্তদের প্রকাশ্যে ফাঁসি দেওয়া উচিত। তবে এই ধরনের ক্যাপিট্যাল পানিশমেন্ট নিয়ে যতবার কথা হয়েছে ততবার দেখা গেছে আন্তর্জাতিক মহল থেকে আপত্তি এসেছে। কারণ, ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলি অনেকেই মৃত্যুদণ্ডের বিরোধী।

এরপরই ধর্ষকদের যৌন ক্ষমতা নষ্ট করার পক্ষে সওয়াল করেন তিনি। বলেন, এই ধরনের অপরাধীদের উপর কেমিক্যাল প্রয়োগ করে তাদের যৌন ক্ষমতা নষ্ট করে দেওয়া উচিত। এও বলেন, বহু দেশেই এই শাস্তি প্রচলিত।

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের এই মন্তব্যে সমালোচনা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। পাকিস্তানে যেভাবে নারী নির্যাতনের ঘটনা বাড়ছে তাতে ইমরানের এই বক্তব্যকে গুরুত্ব দিতে নারাজ ওয়াকিবহাল মহল। তাঁদের মতে, এই সবই লোক ভোলানো কথা।

error: Content is protected !!