দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে পরিযায়ীর দল

একতারা বাংলা, নিউজ ডেস্ক :

নিউ মেক্সিকো স্টেট ইউনিভার্সিটির জীববিজ্ঞানের অধ্যাপিকা মার্থা ডেসমন্ড লক্ষ্য করেছিলেন প্রায়ই ঝরে পড়ছে মৃত পাখি। তাদের মধ্যে ফ্লাইক্যাচার, ওয়ার্বলার, সোয়ালো প্রভৃতি প্রজাতির । আমেরিকার পশ্চিমাংশে ততদিনে তান্ডব শুরু করেছে দাবানল। আর সেই কারনেই যে পাখিদের মৃত্যু ঘটছে তা বুঝতে এতটুকু অসুবিধা হয়নি মার্থা ডেসমন্ডের । প্রতিদিনই মৃত্যুর সংখ্যাটা বাড়তে থাকে।

এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, এই মৃত্যু খুব শীঘ্রই বাস্তুতন্ত্রে প্রভাব ফেলতে চলেছে। যার একমাত্র কারণ জলবায়ু পরিবর্তন ও বিশ্ব উষ্ণায়ন। তিনি এও স্পষ্ট করেছেন, বাস্তুতন্ত্রের জন্য এটি একটি ভয়ঙ্কর বিপর্যয় । প্রচন্ড শীত সহ্য করতে না পেরে পাখিদের দল বেড়িয়ে পরে মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকার অভিমুখে ।

তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর জলবায়ুর অভূতপূর্ব পরিবর্তনের কারনে অভিযান হয়েছিল একটু আগেই । এই এতটা পথ তারা একটানা উড়ে না, বিশ্রাম নেয় ফের উড়ে । তবে গবেষণায় দেখা গেছে মৃত পাখিদের বেশীরভাগই আগুন আর খ‍রা থেকে বাঁচার জন্যে যতটা পেরেছে উড়েছে, এবং মারা গেছে ।

অতএব এটা পরিষ্কার যে, আমেরিকার পশ্চিমাংশ যখন দাবানলের কোলে পাখিগুলো খাবারের জন্য কোথাও দাঁড়ানোর জায়গা পায়নি । তার বদলে পেয়েছে বিষাক্ত বাতাস আর সেই কারনেই এই মৃত্যু ।

error: Content is protected !!