পৌর নাগরিকের চিন্তা দূর করে বাড়িবয়ে “স্বাস্থ্য সাথী” কার্ডে প্রদান পূর্ব-বর্ধমানের গুসকরা পৌর এলাকায়

একতারা বাংলা, নিউজ ডেস্ক:-

পূর্ব-বর্ধমানের গুসকরা পৌরসভা দীর্ধদিন অভিভাবক হীন থাকার পর প্রায় দুই মাস আগে রাজ্যসরকারের এডমিনিস্টেটর বোর্ড পৌরসভার দ্বায়িত্ব পান।

গুসকরা পৌর এলাকাবাসী র মতে নব নির্বাচিত এডমিনিস্টেটর বোর্ড দ্বায়িত্ব হাতে পেয়ে পৌরসভা এলাকার রাস্তা, জল পরিসেবা সহ যাবতীয় থমকে থাকা প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে শুরু করেন।

সপরিবারে ছবি সংগ্রহের মুহূর্তে, উপস্থিত পৌরসভার
এডমিনিস্টেটর বোর্ডের সদস্য কুশল মুখার্জী।( বাম পাশে )

ইতিমধ্যে রাজ্য সরকারের “দুয়ারে সরকার” ঘোষিত হয়, সারা পশ্চিমবঙ্গের সাথে পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা পৌর এলাকায় এই প্রকল্পের মাধ্যমে পৌর নাগরিক বাসী রাজ্য সরকারের একাধিক প্রকল্পের আওতায় আসার জন্য ক্যাম্পে ক্যাম্পে ভিড় করেন।

স্থানীয় সূত্র মারফত জানা যায় পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা পৌরসভার নয় নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা স্থানীয় এক হিমঘরের অবসর প্রাপ্ত কর্মী সুনীল চ্যাটার্জির একমাত্র সন্তান বছর ত্রিশের নবেন্দু চ্যাটার্জী অসুস্থ, তিনি তার পরিবারের সাথে স্বশরীরে ক্যাম্পে গিয়ে “স্বাস্থ্য সাথী” কার্ড করাতে পারবেন না, ফলে সুনীল বাবু পরেন মহা দুশ্চিন্তায়।

এই খবর কানে যাওয়ার পর গুসকরা পৌরসভার এডমিনিস্টেটর বোর্ডের সদস্য কুশল মুখার্জী ওই পৌর নাগরিকের চিন্তা দূর করে তাঁর বাড়ি গিয়ে “স্বাস্থ্য সাথী” প্রকল্পের কার্ড তৈরির ব্যবস্থা করেন।

কুশল মুখার্জী র সাথে উপভোক্তা সুনীল চ্যাটার্জী।

এই প্রসঙ্গে কুশল বাবু বলেন “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষিত কর্মসূচি র নামই তো দুয়ারে সরকার, ফলে আমরা যে সরকারি পরিসেবা জন সাধারণের দুয়ার পৌঁছে দেবো এটাই স্বাভাবিক।” তিনি আরো জানান “মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চান রাজ্যের কোনো নাগরিক যেন কোনো সরকারি প্রকল্প থেকে বঞ্চিত না হয়। সেই কারণে আমার কাছে এই খবর আসার সাথে সাথে সরকারি আধিকারিক দের সাথে আলোচনা করে ওনার বাড়ি গিয়ে যাবতীয় পক্রিয়া করার কথা জানাই।”

পৌর নাগরিক সুনীল বাবু বাড়ি বসে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড হাতে পেয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও স্থানীয় প্রশাসন কে ধন্যবাদ জানান।