আর্থিক অবস্থা বুঝে নিয়ে কোভিড রোগীকে বেড? বর্ধমান শহরে একের পর এক অভিযোগ

একতারা বাংলা, নিউজ ডেস্ক :

বেড ফাঁকা রয়েছে? কোভিড রোগী ভর্তি করানো যাবে? টেলিফোনের ও প্রান্ত থেকে বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পাল্টা প্রশ্ন, রোগীর আর্থিক অবস্থা কেমন? অভিযোগ, বর্ধমান শহরে আকছার এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে কোভিড রোগীর পরিজনদের।

বেলাগাম করোনা সংক্রমণের জেরে দিশেহারা রোগীর পরিবারের আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে তবেই ভর্তির বন্দোবস্ত করছে বেসরকারি হাসপাতালগুলি। সম্প্রতি এ নিয়ে সরব হয়েছিলেন বর্ধমান (দক্ষিণ) কেন্দ্রে তৃণমূলের নবনির্বাচিত বিধায়ক খোকন দাস। পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক প্রণব রায়ের সঙ্গে বৈঠকে অভিযোগও জানিয়েছেন তিনি। তবে পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত চরম উদ্বেগই সঙ্গী রোগীর পরিজনদের।

বাইপাসের পাশে একটি বেসরকারি হাসপাতালে কোভিড পজিটিভ রোগীর জন্য প্যাকেজ ন্যূনতম ৩ লক্ষ টাকা। একই অবস্থা বর্ধমান শহরের খোসবাগানের বেসরকারি হাসপাতালগুলিতেও। অভিযোগ, চিকিৎসার জন্য রোগীদের লাগামছাড়া ভাড়া দিতে হচ্ছে। বেড, পরিকাঠামো, ওষুধ, অক্সিজেন-সহ সব কিছুরই চড়া ভাড়া। কম করে লাখ তিনেক টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে অনেকেরই।

সেই খরচ যোগাতে গিয়ে ঘটিবাটি-গয়না বেচতে হচ্ছে বহু রোগীর পরিজনকে। বর্ধমানের নবাবহাট এলাকায় গত কয়েক বছরে ব্যাঙের ছাতার মতো বেসরকারি হাসপাতাল গজিয়ে উঠেছে। তার অধিকাংশেই পরিকাঠামো নেই বললেই চলে। কিন্তু করোনার আবহে সেখানকার আইসিইউ-এর ভাড়া দিনে ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা।